Wednesday , August 22 2018
Breaking News

জিয়া পরিবারের শত্রু মির্জা ফখরুলরাই, তারাই চাই না তারেক রহমান___বাকিটুকু পড়ুন…

জিয়া পরিবারের শত্রু- ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের শরিক তরীকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি বলেছেন, আজজিয়া পরিবারের শত্রু মির্জা ফখরুলরাই। তারা চায় না তারেক দেশে ফিরে আসুক । আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে খালেদাজিয়া মুক্তি পাবে না।

শনিবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত তরীকত ফেডারেশনের জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলনে বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিনিধি সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি বলেন, এদেশে আর জিয়া পরিবারের কারো নেতৃত্বে সরকার গঠন হবে না। বিএনপির রাজনীতির কবর রচিত হয়ে গেছে। তারেক রহমান বিদেশে পালিয়ে আছেন।

তাকে দেশে ফেরানো হলে স্থান হবে কারাগারে। দেশের মানুষের জন্য এটি লজ্জার যে, একটি দলের চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দুইজনই দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত।

তিনি আরো বলেন, আজ জিয়া পরিবারের শত্রু মির্জা ফখরুলরাই। তারা চায় না তারেক দেশে ফিরে আসুক। কারণ তারেক দেশে ফিরে এলে তাদের বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাবে।’

জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীদের সম্পর্কে সজাগ থাকতে তরীকতের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি বলেন, ‘এই যুদ্ধাপরাধী, স্বাধীনতাবিরোধীরা ইসলামের শত্রু। যতক্ষণ তাদের নির্মূল করা না যাবে ততক্ষণ আমাদের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।

দাঁড়িপাল্লা প্রতিক নিয়ে জামায়াত ইসলামীর নির্বাচনে অংশগ্রহণ বন্ধ করতে আমরা অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলাম। এবার তাদের নির্মূলেও তরীকতের নেতাকর্মীদের ভূমিকা রাখতে হবে।’

প্রতিনিধি সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন তরীকতের নবনির্বাচিত মহাসচিব ড. সৈয়দ রেজাউল হক, প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ হাবিবুর বশর মাইজভান্ডারি, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ তৈয়বুর বশর মাইজভান্ডারি প্রমুখ।

জাতীয় প্রতিনিধি সভা থেকে ৫ মাসব্যাপী ৭ দফা কর্মসূচী ঘোষণা করেন তরীকত চেয়ারম্যান। এসব কর্মসূচীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- আগামী ১১ মে হতে এক মাসব্যাপী সদস্য সংগ্রহ অভিযান, ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সকল জেলা, উপজেলা ও পৌরসভা কমিটির সম্মেলন শেষ করা, ৩ অক্টোবর তরীকতের ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশ।

অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে গত ১৬ এপ্রিল তরীকত ফেডারেশনের মহাসচিব পদ থেকে সংসদ সদস্য এম এ আউয়ালকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ফলে আজকের জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলনে অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কায় ছিলেন দলটির নেতাকর্মীরা।

প্রতিনিধি সম্মেলনে ৩৮টি সাংগঠনিক জেলার প্রতিনিধি উপস্থিত হন। তবে আউয়াল বা তার সমর্থক নেতাকর্মীরা প্রতিনিধি সম্মেলনে উপস্থিত হননি।

সুত্র-An Entertainment