Tuesday , November 13 2018
Breaking News

বিশ্ব সুন্দরী সৌদি আরবের রানী ফাতিমার রূপ দেখলে চোখ ফেরাতে পারবেন না!

বিশ্ব সুন্দরী হিসেবে আমরা সবাই জানি অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ও ঐশ্বর্যা রাই বচ্চনকে। তার কারণ, তারা সেলিব্রেটি বলে। তবে রূপ, গুণ ও সম্পদের কারণে তাদের পেছনে ফেলে এবার সামনে আসছে সৌদি আরবের রানী ফাতিমা কুলসুম জোহর গোদাবরীর নাম।

রক্ষণশীল সৌদি আরবের বিশেষ করে সৌদি রাজপরিবারের কোনো নারীকে প্রকাশ্যে দেখা যায় না। আর তাদের ছবিও বাইরে খুব কমই দেখা যায়।

সম্প্রতি, এক সৌদি প্রিন্স শেখ আবদে আল মাহমুদের স্ত্রী ফাতিমা কুলসুম জোহর গোদাবরীর কিছু ছবি ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়েছে। এর পর থেকেই তাকে বিশ্বে সুন্দরী বলে দাবি করছে শোবিজ পাড়ার বিভিন্ন ওয়েবসাইট।

মালয়েশিয়ান রিভিউ নামের একটি ওয়েবসাইট ফাতিমার রূপ বর্ণনা করে বলেছে, তার উজ্জ্বল ফর্সা ত্বকের সঙ্গে গ্রে রঙয়ের চোখ, লাল ঠোঁট ও তীক্ষ্ণ দৃষ্টি তাকে করেছে অপরূপ।

ওই ওয়েবসাইট-ই দাবি করেছে, তিনি বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করলে পাবেন বিশ্ব সুন্দরীর মর্যাদা। তার মুখোয়াবয়েব সত্যিই মিরাকল, সৃষ্টিকর্তার অপরূপ সৃষ্টি।

ফাতিমা কুলসুম হলেন সৌদি আরবের সাবেক রাজকন্যা, বর্তমান রানী। ধারণা করা হয় তিনি ১৯৮৬ সালে ২২ অক্টোবর ভারতের চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেন। সম্প্রতি তিনি এমবিএ পাশ করেছেন।

তেল সমৃদ্ধ দেশ সমুহের জোট ওপেক-এর হিসেবে তিনি তেল বিক্রেতাদের মধ্যে শ্রেষ্ট। মুসলিম বিশ্বের শ্রেষ্ট ধনী নারীদের স্থানেও তিনি জায়গা দখল করেছেন।

সৌদি রাজপরিবারের সূত্র দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ফাতিমা সম্প্রতি বিভিন্ন দাতব্য সংস্থার সঙ্গেও কাজ করছেন। বিশেষ করে সৌদি আরবে নারীদের ইস্যুতেও তিনি বেশ সরব।

উল্লেখ্য, সৌদি আরবে ‘রানী’ বলতে কিছু নেই। বাদশার স্ত্রীগণকে রানীর মর্যাদা দেয়া হয় না। তাদের রাষ্ট্রিয় কোনো ক্ষমতা নেই। এ জন্য ফাতিমা কুলসুমকে রানী বলা কতটুকু সমীচীন তা প্রশ্নবিদ্ধ। আর ফাতিমা কুলসুম বলতে বাদশা সালমানের কোনো মেয়ে আছে কি না তা নিয়েও প্রশ্ন আছে।

কোরা ডকটম নামের এক ওয়েবসাইটে সৌদি রাজসভার সাবেক কর্মকর্তা জন বারগেস লিখেছেন, সৌদি আরবে কোনো রানীর রাষ্ট্রিয় ক্ষমতা নেই। তাছাড়া, ফাতিমা কুলসুম নামে বাদশা আব্দুল্লাহর কোনো মেয়ে নেই, তিনি উপস্ত্রীর মেয়ে কি না তাও জানা যায় না। ৪৩ বছর বয়সী প্রিন্সেস হাসসা বাদশা সলমানের মেয়ে। যিনি প্যারিসে কুকুরকে হত্যার দায়ে ২০১৬ সালে বেশ আলোচিত হয়েছিলেন।

সূত্র: ওমেন্স ইরা