Tuesday , November 13 2018
Breaking News

অল্প সময়ে নতুন চুল গজানোর কার্যকরী উপায়!

চুল পড়ে যাচ্ছে অথবা মাথার চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে এমন সমস্যা অনেকেরই। এই সমস্যা (problem) থেকে মুক্তি পেতে দুটি কাজ করতে হবে। একটি হলো Hair ঝরে যাওয়া রোধ করা, অপরটি নতুন চুল (new hair) গজানো। Hair ঝরে যাওয়া রোধ করা নিয়ে আমরা প্রায়ই বিভিন্ন লেখালেখি দেখি। সেই তুলনায় নতুন Hair গজানো নিয়ে জানার সুযোগটা কম। তাহলে চলুন জেনে নিই কিভাবে নতুন চুল গজানো সম্ভব।

বয়স বাড়ার কারণে অথবা বংশগত বা পরিবেশের প্রভাবে আমাদের Hair পড়ে যেতে থাকে। এ কারণে আমাদের মন তো খারাপ হয়ই, আবার মনে হয় যদি কৈশোরের মতো Hair আবার হতো কোনো ভাবে। আমাদের মাথার ত্বক বা স্ক্যাল্পে যদি আমরা উদ্দীপনা দিতে পারি, তাহলে মাথায় নতুন চুল গজানো সম্ভব। প্রতিটি চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালনের (blood flow) ব্যবস্থা রয়েছে। এটাকে যদি বাড়ানো যায়, তাহলেও নতুন Hair গজানো সম্ভব।

প্রথম পদ্ধতি :- প্রথম পদ্ধতি হলো ম্যাসাজ করা। নিয়মিত ম্যাসাজ করতে হবে। এতে করে স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে এবং স্ক্যাল্প উদ্দীপিত হবে। এক টেবিল চামচ ভিটামিন(Vitamins) ই নিয়ে মাথায় ম্যাসাজ করতে থাকুন। ভিটামিন ই চুলের জন্য প্রয়োজনীয় নিউট্রিশন এর যোগান দেয়।

ভিটামিন ই এর সাথে চা এর নির্যাস যোগ করতে পারেন। এই দুটো ভালো ভাবে মিশিয়ে হাতের তালু এবং আঙ্গুলের সাহায্যে পুরো মাথার চুলের গোড়ায় গোড়ায় লাগিয়ে নিন। ৫-৬ মিনিট ম্যাসাজ করুন। তারপর মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে আঁচড়ে নিন। চুলগুলোকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে সম্পূর্ণ Hair আঁচড়ে নিন।

কিছুক্ষণ পর সাধারণ ভাবে শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। চুল গজানোর (new hair growth) জন্য দিনে ৩ বার ম্যাসাজ করতে হবে এই নিয়মে। কিন্তু বারবার শ্যাম্পু(Shampoo) ব্যবহার করবেন না। এতে চুলের ক্ষতি হবে।

দ্বিতীয় পদ্ধতি:- চুলের গোঁড়ায় হেয়ার ফলিকল থাকে। ভাইব্রেশনের মাধ্যমে যদি ফলিকল উদ্দীপিত করা যায় তবে নতুন Hair গজানো সম্ভব। বাজারে ভাইব্রেটিং ম্যাসেজার কিনতে পাওয়া যায়। এর সাহায্যে আপনি স্ক্যাল্পে চক্রাকারে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মাথায় ভাইব্রেটিং ম্যাসাজ নিতে পারেন।

যে জায়গায় বেশি চুল পড়ে যাচ্ছে, তাতে বেশি মনোযোগ দিন। এভাবে ৫ থেকে ১০ মিনিট আপনার স্ক্যাল্প ভাইব্রেট করুন। ভালো ফল পেতে এটাও আপনাকে দিনে ৩ বার করতে হবে