Thursday , June 21 2018
Breaking News

মাংসের মধ্যে হাঁসের মাংস অন্যরকম! কিন্তু কেন জানেন কি?

হরেকরকম মাংসের মধ্যে হাঁসের মাংস একটু যেন অন্যরকম। স্বাদে, মজায়। আর শীতকাল হলে তো কথা-ই নেই। গরম গরম হাঁসের মাংস খেতে কার না ভালো লাগবে? জেনে নেওয়া যাক মাংসের রেসিপি।

উপকরণ : একটি হাঁস, এক কেজি বা বেশি (চামড়া রেখে দিবেন)। পেঁয়াজকুচি ১ কাপের বেশি। ধনে পাতা বাটা ১ টেবিল-চামচ। টমেটো পিউরি (পেস্ট) ১ টেবিল-চামচ। দারুচিনি ৩/৪ টুকরা। আদাবাটা ২ টেবিল-চামচ। রসুনবাটা দেড় টেবিল-চামচ। মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ। হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ। পরিমাণমতো লবণ। পরিমাণমতো তেল (বা আধা কাপের কম)। পানি প্রয়োজন মতো।

বিশেষ মসলা : জয়ত্রি সামান্য। জিরা দুই চিমটি। এলাচি মাঝারি ৪/৫টি। লবঙ্গ ৮/৯টি । শুকনামরিচ ৩/৪টি মাঝারি। মেথি ২ চিমটি। তেজপাতা বড় একটা। পাঁচফোড়ন ২ চিমটি। গোলমরিচ গুঁড়া ২ চিমটি। এই মসলাগুলো কড়াইতে টেলে বেটে গুঁড়া করে নিতে হবে।

প্রস্তুত প্রনালী : হাঁস টুকরা করে কেটে ভালো করে ধুয়ে রাখুন। কড়াইয়ে তেল গরম করে প্রথমে পেঁয়াজকুচি সামান্য লবণ এবং দারুচিনি দিন। ভাজুন এবং আগুন মাঝারি আঁচে রাখুন। পেঁয়াজকুচি একটু হলদে হয়ে এলে আদা ও রসুনবাটা দিন এবং ভাজুন। এবার লালমরিচগুঁড়া এবং হলুদগুঁড়া দিন। টমেটো পিউরি আর ধনেপাতাবাটা দিন। এককাপ পানি দিন এবং ভালো করে মিশিয়ে নিন।

তারপর ভালো করে কষিয়ে নেন। তেল উপরে উঠে আসলে ধুয়ে রাখা হাঁসের মাংস দিন। মাংস কষিয়ে নিন। মাংস নরম না হলে আরও এককাপ পানি দিতে পারেন। আগুন মাধ্যম আঁচে রেখে ঢাকনা দিন। মাঝে মাঝে নাড়িয়ে দিন।

এবার সেই বিশেষ মসলামিক্স দিয়ে দিন। ভালো করে নাড়িয়ে মিশিয়ে নিন। ঝোল কেমন রাখবেন সেটা নিজেই সিদ্ধান্ত নিন। লবণ দেখুন, লাগলে দিন। চুলা থেকে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাচ্ছেন? থামুন! প্লীজ এড়িয়ে যাবেন না! বাঁচতে চাইলে, এখনই পড়ুন!

গলা জ্বালাপোড়া বা পেটে গ্যাসের সমস্যা থেকে রেহাই পেতে এক ধরনের ওষুধ সেবনে আমাদের কিডনিতে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করলেন গবেষকরা। গবেষকরা প্রমাণ পেয়েছেন প্রোটন পাম্প ইনহিবিটরস (পিপিআইএস) জাতীয় ওষুধ দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ তৈরি করে।

নিউইয়র্কের স্টেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষক অধ্যাপক প্রদীপ আরোরা ও তার গবেষক দল ৭১ হাজার ৫১৬ রোগীরপরীক্ষা করেন, যাদের মধ্যে ২৪ হাজার ১৪৯ জন দীর্ঘমেয়াদি কিডনি সমস্যায় আক্রান্ত। এসব রোগীর মধ্যে ২৫ শতাংশ পিপিআইএস জাতীয় ওষুধ সেবন করেছেন। পিপিআই জাতীয় ওষুধ ব্যবহারকারী মধ্যে ১০ শতাংশের কিডনি রোগীর ঝুঁকি বাড়ায় এবং ৭৬ শতাংশের ক্ষেত্রে অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।

প্রদীপ অরোরা বলেন, রোগীদের বৃহৎ একটা অংশ পিপিআইএস জাতীয় ওষুধ সেবন করেন। যারা স্বাস্থ্য সেবা দেন তাদের এই জাতীয় ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানা উচিৎ।