Wednesday , December 19 2018
Breaking News

শাকিব-অপু ইস্যু, শেষ হয়েও যেন হচ্ছে না শেষ

শাকিব-অপু নিয়ে অনেক দিন ধরেই চলে আসছে নানা আলোচনা, সমালোচনা। কখনো অপুকে নিয়ে শাকিবের মন্তব্য আবার কখনো শাকিব কে নিয়ে অপুর মন্তব্য। তবে সব কিছুর অবসান হয়ে গেল ১২ মার্চ চূড়ান্ত ভাবে ডিভোর্স হলো এই দম্পতির। তবুও প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

গত বছরের ২২ নভেম্বর অপুকে বিবাহ বিচ্ছেদের চিঠি পাঠান শাকিব। গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়, তিন মাস পর কার্যকর হবে বিবাহ বিচ্ছেদ। সেই হিসাবে ২২ ফেব্রুয়ারি শাকিবের বিবাহ বিচ্ছেদের চিঠি পাঠানোর তিন মাস পূর্ণ হয়।

ঢাকা সিটি করপোরেশনের (অঞ্চল-৩) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হেমায়েত হোসেন বলেন, শাকিব খান যেদিন স্বাক্ষর করেছিলেন, সেদিন থেকে তিন মাস পর কার্যকর হবে ব্যাপারটা এমন নয়। আমরা সিটি করপোরেশন তাদের তিন মাসে তিনবার ডাকব, সেই তৃতীয়বার বিষয়টির ফয়সালা হবে।

সেই অনুযায়ী আমরা গেল ১২ মার্চ তৃতীয় ও শেষবারের জন্য তাদের আবারও ডাকি কিন্তু তারা কেউই উপস্থিত হননি, ফলে নিয়ম অনুযায়ী বিবাহ বিচ্ছেদ কার্যকর হয়েছে।

সব কিছু শেষ হয়েও যেন হচ্ছে না শেষ। কেননা এই তালাক নিয়ে সংশয় এখনো রয়ে গেছে বলে দাবি করলেন হেমায়েত হোসেন। তিনি বলেন, ‘অপু বিশ্বাস দাবি করেছেন শাকিবের আবেদনে যে স্বাক্ষর রয়েছে সেটি শাকিবের নয়। স্বাক্ষরটি শাকিবের কী না সেই ব্যাপারে আমরাও নিশ্চিত হতে পারিনি। শাকিব ও তার উকিলকে বেশ কয়েকবার তলব করেও এই ব্যাপারে কোনো সদুত্তর মিলেনি।’

এদিকে অপু যদি চ্যালেঞ্জ করেন এবং স্বাক্ষরটি শাকিবের নয় বলে প্রমাণ হয় তবে ডিভোর্সের আবেদনটিই বাতিল হয়ে যাবে বলে জানান হেমায়েত হোসেন।

তাছাড়া তিনি আরো জানান, একটি ডিভোর্স কার্যকর করার জন্য যেসব তথ্য ও প্রমাণ দরকার তার অনেক কিছুই শাকিব খান প্রদান করেননি। এটা নিতান্তই নির্ভর করছে অপু বিশ্বাসের উপর, তিনি সংসার টিকিয়ে রাখতে চ্যালেঞ্জ বা মামলা করবেন কী না। আর যদি মেনে নেন এই আবেদন, তবে ডিভোর্স কার্যকর হয়ে গেছে।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল বিয়ে করেন শাকিব-অপু। কিন্তু ৯ বছর বিয়ের খবর গোপন রাখেন তারা। অবশেষে গত বছরের ১০ এপ্রিল একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে ছয় মাস বয়সী ছেলে আব্রামকে সঙ্গে নিয়ে হাজির হন অপু। আর এই পর থেকেই তাদের সম্পর্কের অবনতি হয়।