Wednesday , October 17 2018
Breaking News

যে ছোট ছোট কাজগুলো আপনাকে করে তুলবে স্মার্ট

মানুষ হয়তো জন্মগতভাবে বুদ্ধিমান নয়। জীবনের বিভিন্ন পদে পদে এবং ছোট ছোট কর্মকাণ্ডে চাইলেই বুদ্ধিমত্তা বাড়ানো যায়, আইকিউ লেভেলও বাড়ানো যায়। এবং পাশাপাশি অন্যদের থেকে স্মার্টও হওয়া যায়। আজ দেখবো ছোট ছোট কিছু কাজ যা আমাদের স্মার্ট করে তোলে:

উজ্জ্বল আলো ব্যবহার

কম আলো থেকে বেশি আলোতে দৈনন্দিন কাজ অবশ্যই কার্যকরী। বেশি আলোতে কাজ করলে তাতে মস্তিস্ক এবং মনোযোগ দুই বেশি কাজ করে। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই এটা বোঝেনা যে কম-বেশি আলোর তারতম্য আমাদের শরীরে কেমন প্রভাব পড়বে। মানসিক সতর্কতা, ফোকাস করার ক্ষমতা এবং পারদর্শীতার জন্য উজ্জ্বল আলো ব্যবহার করুন।

প্রকৃতির কাছে যান, প্রকৃতিকে দেখুন

আমরা প্রতিটি মানুষ প্রকৃতিরই অংশ। কিন্তু ব্যস্ততার বাহানায় আমরা এখন প্রকৃতির কাছাকাছি যাওয়ারই সময় পাইনা। কিন্তু প্রকৃতির সবুজ, আলো হাওয়া শরীর আর মনের জন্য খুবই ভালো। এর ফলে আমাদের মস্তিস্ক সচল হবে, কাজের প্রতি মনোনিবেশ সহজ হবে। চিন্তাভাবনা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সমস্যা সমাধান, পরিকল্পনা এবং আত্মনিয়ন্ত্রণের উন্নতির জন্য এই প্রকৃতির কাছাকাছি যাওয়াই উচিৎ।

হালকা হলেও পরিশ্রম করুন

শুয়ে বসে থেকে কোনো কাজ না করে কখনো সুস্থ থাকা যায়না। এতে করে আলস্য বাড়ে, ওজন বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই বসে না থেকে কাজের ফাঁকে বা অলস সময়ে কিছু না কিছু পরিশ্রম করুন। হাঁটাচলা করুন, ঘাম ঝরান।

যৌনকর্ম

যৌনতা প্রাকৃতিক জীবনেরই একটি অংশ। গবেষণা থেকে জানা যায়, প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য সপ্তাহে নিয়মিত যৌন সম্পর্ক মস্তিস্ক এবং শরীরের অন্য কর্মকাণ্ডকে সচল রেখে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

গায়ে লাগান রোদ

ব্যায়াম এবং প্রকৃতিদর্শন ছাড়াও রোদের ভিটামিন ডি শরীরে অনেক চাহিদা মেটাতে পারে। পর্যাপ্ত পরিমাণে রোদের ভিটামিন মাছ এবং দুধের সমপরিমাণ পুষ্টি সরবরাহ করতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে রোদ স্মরণশক্তি এবং শেখার দক্ষতা বাড়াতে সহায়তা করে।

তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যান

সবাই জানে যে পর্যাপ্ত ঘুম না হলে মাথা কোনো কাজই করে না। ঠিকমতো ঘুম না হওয়ার অন্যতম কারণ হলো রাতে দেরি করে ঘুমাতে যাওয়া। তাই ঘুমিয়ে শান্তির জন্য তাড়াতাড়ি ঘুমাতে হবে। এতে করে ঘুম ভালো হবে, মস্তিস্ক সতর্ক থাকবে, মনোযোগ ক্ষমতা বাড়বে, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং চিন্তাশক্তি বাড়বে।

হাতে লিখুন নোট

প্রযুক্তিতে অভ্যস্ত হতে হতে এখন হাতে লেখার চল প্রায় চলেই যাচ্ছে। হাতে অন্তত কিছু জিনিস লিখুন। সারাদিন কি কি কাজ করবেন, কোথায় যাবেন, অফিসিয়াল কাজ কি করবেন, কিংবা নিজস্ব যেকোনো কিছু লেখার অভ্যাস করুন। এতে মন হালকা হবে, কাজে ছন্দ থাকবে।

নির্দিষ্ট কাজে মনোনিবেশ করুন

একই সময়ে বিভিন্ন কাজ হাতে থাকলে গুরুত্বের বিচারে কাজ ভাগ করে নিন। আগের কাজ আগে করুন। আর যেকোনো একটি কাজে মন দিন। একই সময়ে একাধিক কাজ নিয়ে ভাববেন না, বা সব কাজ একসঙ্গে করতে যাবেন না। এতে করে কোনো কাজই ভালোভাবে হবেনা।

এড়িয়ে চলুন প্লাস্টিকে রাখা খাবার

প্লাস্টিকের মধ্যে রয়েছে বেসফানল এ (বিপিএ)। পানির বোতল, শিশুদের বোতলে এই উপাদান ব্যবহার করা হয়। বিপিএ হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। সাধারণত পিভিসি পাইপ বা পারফিউমে প্যাথেলেটস পাওয়া যায়। উচ্চ পরিমাণ প্যাথেলেটস শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এটি প্রজনন ক্ষমতায় বাজে প্রভাব ফেলে। তাই প্লাস্টিকের পাত্রে খাবার গরম করা ঠিক নয়। এতে প্লাস্টিকের মধ্যে ব্যবহৃত উপাদান খাবারে প্রবেশ করে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

খেলা দেখুন

খেলাধুলা করা বা নিয়মিত খেলা উপভোগ করা মস্তিস্কের জন্য ইতিবাচক। এটি দৃষ্টিক্ষমতা, শ্রবণক্ষমতা, স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে দিতে পারে। খেলা চলাকালীন এর বিভিন্ন ধারাবর্ণনায় নিজের ভাষার দক্ষতাও বাড়ে।