Friday , December 14 2018
Breaking News

ফরিদপুরে বিয়ের দাবিতে পরকীয়া প্রেমিকের বাড়িতে এক সন্তানের মা

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের কাদিরপাড়া গ্রামের রিয়া সুলতানা গোলাপী (২৭) নামে এক সন্তানের জননী বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানায়, বিয়ের দাবীতে প্রেমিক উপজেলার পিছলিয়ার গ্রামের মৃত. বারেক মোল্যার ছোট ছেলে হাসান মোল্যার (২০) বাড়িতে গোরাপী ৫দিন ধরে অবস্থান করে। খবর পেয়ে প্রেমিক হাসান মোল্যা অবশ্য বাড়ি থেকে পালিয়েছেন।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, উপজেলার কাদিরপাড়া গ্রামের রওশন মোল্যার মেয়ে গোলাপী প্রায় দশ বছর আগে একই উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের চর-হাটঘাটা গ্রামের মুরাদের সাথে বিয়ে হয়। সেই ঘরে একটি কন্যা সন্তানও জন্ম নেয়। এরই মধ্যে মুরাদ বিদেশে চলে যায়। স্বামী বিদেশে যাওয়ার সুবাদে গোলাপী বাবার বাড়িতে এসে তার শিশু কন্যকে কাদিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করেন। তিনি সেখানেই থাকেন। এরই মধ্যে আত্মীয়তার সুবাদে হাসান মোল্যার সাথে পরিচয় ঘটে।

এক পর্যায়ে তাদের সাথে সম্পর্ক গড়ে উঠে। মন দেওয়া নেওয়ার এক পর্যায়ে তাদের দৌহিক সম্পর্কের সৃষ্টি হয়। তাদের মধ্যে বিয়ের সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু হাসান বিয়ে করতে তালবাহানা করলে গোলাপী নিজ মেয়েকে বাবার বাড়িতে রেখে গত সোমবার বিকেলে হাসানেসরেজমিনে সাংবাদিকরা উপস্থিত হলে পুলিশ ভেবে প্রেমিকা পালিয়ে যায়। সাংবাদিক জেনে আবার তিনি ফিরে আসেন। কথা হয় প্রেমিকা গোলাপীর সাথে তখন তিনি জানান, তাদের প্রায় দশ বছর আগে চর-হাটঘাট গ্রামের মুরাদের সাথে বিয়ে হয়। তাদের তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া একটি শিশু কন্যা রয়েছে। বাবার বাড়ির গ্রামের কাদিরপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে পড়াশুনা করছে। তার স্বামী মুরাদ বিদেশে থাকে।

এক বছর ধরে হাছান মোল্যার সাথে তার প্রেম হয় এবং এক পর্যায়ে তাদের দৌহিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। হাছানকে বিয়ে করে ঘর সংসার করার জন্য হাসানের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছি কিন্তু হাসান মোল্যা পালিয়েছে।

হাসানের একমাত্র অভিভাবক মা হাসুয়ারা বেগম হাসু জানান, আমার একমাত্র ছেলে সন্তান হাসান। ছেলে কোথায় আছে তিনি জানেন না। তবে প্রেমিকা গোলাপীর খাওয়া থাকার ব্যবস্থা তিনি নিজেই যা পারছেন করছেন বলে দাবী করেন।

নওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান মোল্যার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি শুনেছি ঢাকায় থাকার কারণে ব্যবস্থা নেওয়া কষ্ট হচ্ছে। ঢাকা থেকে এসে বিষয়টি দেখব।