Friday , September 21 2018
Breaking News

নামাজে অলসতা ভয়াবহ পাপের কারণ

ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ নামাজ। ঈমানের পর নামাজ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। কোরআনে কারিমে ৮৩ বার নামাজের আলোচনা এসেছে।

নামাজ ফরজ হওয়া প্রসঙ্গে কোরআনে কারিমে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘হে নবী! আমার বান্দাদের মধ্যে যারা মুমিন তাদের বলুন, নামাজ কায়েম করতে।’ -সূরা ইবরাহিম: ৩১

তাছাড়া নামাজের ব্যাপারে যারা উদাসীন থাকে তাদের ব্যাপারে শাস্তির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন, ‘দুর্ভোগ সেসব নামাজির জন্য নিজেদের নামাজের ব্যাপারে যারা থাকে গাফেল।’ -সূরা মাউন: ৪-৫

রোজ হাশরে নামাজের মাধ্যমেই হিসাব-নিকাশ শুরু হবে। যার নামাজ সঠিক হবে তার অন্য আমল সঠিক বলে বিবেচিত হবে। আর যার নামাজ অসুন্দর হবে তার অন্যান্য আমল অসুন্দর বলে গণ্য হবে।

ইচ্ছাকৃতভাবে যে ব্যক্তি একেবারে নামাজ ছেড়ে দেবে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে কাফের হয়ে যাবে। এ মর্মে হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘বান্দা ও কুফরের মধ্যে একমাত্র পার্থক্য হলো- নামাজ ত্যাগ করা।’ –সহিহ মুসলিম

যে ব্যক্তি নামাজের ব্যাপারে অলসতা করবে, চাই সে অলসতা যথাসময়ে আদায় না করার মাধ্যমে হোক বা ঘুমের মাধ্যমে হোক কিংবা শরিয়তসম্মত পদ্ধতিতে নামাজ আদায়ে ত্রুটির মাধ্যমে হোক, সে কাফের না হলেও তার ব্যাপারে কঠিন শাস্তির কথা বলা হয়েছে হাদিসে।
হজরত উবাদা ইবনে সামির (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সাতটি অসিয়ত করেন, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দু’টি কাজ হলো- তোমরা আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরিক করো না। যদিও তোমাকে টুকরা টুকরা করে ফেলা হয় বা অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষেপ করা হয় আর ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ ত্যাগ করো না। কেননা যে ইচ্ছা করে নামাজ ছেড়ে দেয় সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যায়।

আল্লাহতায়ালা নামাজের উপকার সম্পর্কে ইরশাদ করেন, এবং নামাজের পাবন্দি করো দিনের দুপ্রান্তে ও রাতের কিছু অংশে। নিঃসন্দেহে সৎ কাজসমূহ অসৎ কাজসমূহকে মিটিয়ে দেয়। -সূরা হূদ: ১১৪

নামাজের ব্যাপক কল্যাণসমূহের উল্লেখযোগ্য একটি হলো- নামাজ অশ্লীল ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহতায়ালা কোরআনে কারিমে ইরশাদ করেন, নামাজের পাবন্দি করো। নিশ্চয় নামাজ অশ্লীল ও