Thursday , April 26 2018
Breaking News

ব্রেকিং : বড় রদবদল আসছে মন্ত্রিসভায়, বাদ পড়ছেন মুহিত

বড় রদবদল আসছে মন্ত্রিসভায়- আগামী বাজেট অধিবেশনের আগেই মন্ত্রীসভার রদবদল হতে পারে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার ৯ দিনের সফরে সৌদি আরব এবং যুক্তরাজ্য গেছেন। সেখান থেকে ফিরেই দুই দিন পরই তিনি অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড সফর করবেন।

এই সফরের পর গাজীপুর এবং খুলনা সিটি নির্বাচন। প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, সিটি নির্বাচনের পরপরই মন্ত্রী সভার রদবদলের সম্ভাবনা রয়েছে। কোটা সংস্কারে আন্দোলনের সময়ই প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীসভার রদবদলের ইঙ্গিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, নির্বাচনের আগে কোটা আন্দোলনের মতো আরও ‘রাজনৈতিক চাপ’ আসতে পারে, এরকম বিবেচনায় থেকে মন্ত্রীসভায় ‘রাজনৈতিক মুখ’ বাড়বে। তাছাড়া সরকার যেন নতুন বিতর্কে না ছড়ায়, সেজন্য গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মন্ত্রনালয়ে রদবদলের সম্ভাবনা রয়েছে।

সরকারের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, বাজেট অধিবেশনের আগেই অর্থমন্ত্রী দায়িত্ব থেকে সরে যেতে পারেন। আগামী ৭ জুন জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগ সরকারের বর্তমান মেয়াদে শেষ বাজেট উপস্থাপিত হবে।

তবে, বর্তমান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতই এই বাজেট দেবেন কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। গত দুটি প্রাক-বাজেট আলোচনায় অর্থমন্ত্রী সরে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। অর্থমন্ত্রী যেহেতু পরের মেয়াদে থাকবেন না, তাই নির্বাচনের আগেই প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তনের কথা ভাবছেন।

একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করার কারণে অর্থমন্ত্রীকে নিয়ে দলও বিব্রত। কিন্তু মেয়াদের মাত্র ৬ মাস আগে এই প্রবীণ ব্যক্তিকে মন্ত্রীত্ব থেকে সরিয়ে নেওয়ার কঠিন সিদ্ধান্ত সরকার নেবে কিনা. সেটাও ভাবনার বিষয়।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগে ‘রাজনৈতিক’ ব্যক্তিদের গুরুত্ব বেড়েছে। বিশেষ করে জাহাঙ্গীর কবির নানক, এনামুল হক শামীমের মতো ছাত্রলীগ এবং মাঠ থেকে উঠে আসা নেতারা আবার আওয়ামী লীগে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন। এরকম এক দুইজনকে মন্ত্রীসভায় অন্তভুক্ত করা হতে পারে আসন্ন রদবদলে।

প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাজীপুরে আওয়ামী লীগ নেতার ব্যাপারে অত্যন্ত সহানুভূতিশীল। মনোনয়ন না পেয়েও তিনি দলের পক্ষে যেভাবে আছেন তা আওয়ামী লীগের জন্য বড় প্রেরণা। গাজীপুর নির্বাচনের পর ফলাফল ইতিবাচক হলে আজমত উল্লাহও মন্ত্রীত্ব পেতে পারেন।

এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক উপদেষ্টা ডাঃ সৈয়দ মোদাচ্ছের আলীও মন্ত্রীর মর্যাদায় ফিরে আসছেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁকে কমিউনিটি ক্লিনিক ট্রাস্টের চেয়ারম্যান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই ট্রাস্টের চেয়ারম্যান পদ মন্ত্রীর সমমর্যাদার হবে বলে জানা গেছে। রদবদলের চূড়ান্ত অবয়ব বোঝা যাবে আগামী মাসের শুরুতে।